Advertisement

ভারতীয় তরূণরা 2017 সালে চমত্কার আবিষ্কার করেছে

author image
12:31 pm 17 Nov, 2017

Advertisement

আমাদের দেশের যুবকরা যাদের দৃষ্টিশক্তি নেই তাদের জন্য চশমা তৈরি করা থেকে শুরু করে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপগ্রহ আবিষ্কার করেছে। তাদের এই আবিষ্কারের ওপর পুরো দেশ গর্বিত। চলুন দেখা যাক সেই সমস্ত আবিষ্কার।

1. মৌমাছির নিরাপত্তার জন্য রোবট

দিল্লি পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র কাব্য ভিগাহ্নস তার সহপাঠীদের একটু আলাদা। বস্তুত, কাব্যা এমন একটি রোবট তৈরি করেছে যা মৌমাছিদের কোনও ক্ষতি না করে মধু বের করে আনতে পারবে। কাব্যর রবোটিকসের বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে। কাব্যা রোবোটিক্সের ক্ষেত্রে সংগঠিত বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা ‘প্রথম লেগো লীগের’ ভারতের সর্বকনিষ্ঠ যুবক দলের সদস্য।

2. দৃষ্টিশক্তিহীনদের জন্য চশমা

অরুণাচল প্রদেশের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র আনাগ টাডার নেত্রহীনদের জন্য এমন অকটি চশমা তৈরি করেছেন। যেটা পড়ার পর লাঠির দরকার হবে না। আনাগ পার্কিং সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করে চশমা তৈরি করেছে। এই চশমার G4B নাম দেওয়া হয়েছে আনাগ বলেছে, যেভাবে গাড়িগুলির জন্য পার্কিং সেন্সর প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। তার ওপর নির্ভর করে এই চশমা তৈরি করা হয়েছে। যখন কোনও বড় জিনিস এই চশমার সামনে আসবে বিপ চালু হয়ে যাবে এবং সেই ব্যক্তি সতর্ক হয়ে যাবেন। বস্তত এই আবিষ্কার দৃষ্টিশক্তিহীনদের জন্য উপকারী বলে প্রমাণিত হবে। আনাগের এই আবিষ্কারে ইউনিসেফের কাথে আশ্চর্যের বিষয়।

3. শক্তি সঞ্চয় গাড়ী


Advertisement

ইন্দিরা গান্ধী টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির টিম প্যান্থারের 15 জন ছাত্র শক্তি সঞ্চয় গাড়ী তৈরি করেছে। টিমের অধিনায়ক এবং ড্রাইভার মনুপ্রিয়া বত্স মতে, গাড়ির কারণে দূষণ বেশি হয়। সেই কারণে তারা এমন একটি গাড়ি তৈরি করার কথা ভবেছে যেটা পেট্রোল ছাড়াই চলবে। একটি সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, শক্তি সঞ্চয় কার আইরিস 2.0 একটি সিঙ্গার সিটার এবং তিনটি চাকা রয়েছে।

4. বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্যাটেলাইট

তামিলনাডুর 18 বছর বয়সী রিফাত এবং তার দল বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ এবং হালকা উপগ্রহটি তৈরি করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। এই উপগ্রহের ওজন মাত্র 64 গ্রাম। শুধু তাই নয়, এই উপগ্রহটি 21 শে জুন বিশ্বের সর্ববৃহৎ মহাকাশ সংস্থা নাসা লঞ্চ করেছিল। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালামের নামে স্যাটেলাইটের নামকরণ করা হয়েছে সেট কালাম। এই উপগ্রহ তৈরি করার জন্য রিফট এবং তার দল 2 বছর সময় নেয় এবং প্রায় এক লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। এই স্যাটেলাইটের মধ্যে অনেক ধরণের সেন্সর এবং সৌর প্যানেল রয়েছে।

5. সাইলন্ট হার্ট অ্যাটাকের সনাক্তকরণের জন্য সরঞ্জাম

15 বছরের আকাশ মনোজের কাছে রয়েছে ভিজিটিং কার্ড। যার ওপর লেখা রয়েছে কার্ডিওলজি গবেষ।ক আকাশ এমন একটি ডিভাইস তৈরি করেছে যা সাইলন্ট হার্ট অ্যাটাক সনাক্ত করতে পারে। আকাশের দাদু হার্ট অ্যাটাকের কারণে মারা গিয়েছিলেন, তারপর তিনি এই ডিভাইস তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন।

Advertisement


  • Advertisement