যৌন নিগ্রহে বাধা দেওয়ায় খুন গুরুগ্রাম স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র, স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন?

author image
3:53 pm 9 Sep, 2017

গুরুগ্রামের রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সাত বছরের পড়ুয়াকে হত্যা করা হলো। শৌচালয়ে পড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় স্কুলে। এই ঘটনায় স্কুলবাসের কন্ডাক্টর অশোক কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের জেরায় সে স্বীকার করেছে, সেই পড়ুয়াকে যৌন নিগ্রহ করতে গেলে বাধা পায় সে। তখনই রাগে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তার গলা ও ডান কান কেটে দেয়।সাত বছরের সেই শিশু দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র।

এই পুরো ঘটনার বিরুদ্ধে পরিবার এবং অন্যান্য অভিভাবকরা প্রতিবাদ করছে। রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

পুলিশ কি বলছে?

সকাল 8 টার সময় বাচ্চাদের বাস থেকে নামানোর পর কন্ডাক্টর অশোক টয়লেটে যায়, যেখানে সে প্রদ্যুমানকে দেখতে পায়। অশোক প্রদ্যুমানের যৌন নিগ্রহ করার চেষ্টা করে, কিন্তু যৌন নিগ্রহে বাধা দেওয়াতেই খুন হতে হয় তাকে। স্কুলের বিরুদ্ধে অব্যবস্থার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সরকারি স্কুলে বিশৃঙ্খলতা ও পড়াশুনা সঠিকভাবে না হওয়ার কারণে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বড় স্কুলে পাঠায়, যাতে ছেলেমেয়েরা একটি ভালো পরিবেশ পায়।

এই ঘটনা থেকে এটা প্রমাণিত হলো যে এত বড় স্কুলেও বাচ্চারা নিরাপদ নয়।

রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ব্যস্হার ওপর অনেক প্রশ্ন উঠছে।

বাস কন্ডাক্টর কেন ছেলেমেয়েদের টয়লেটে যায়?

কন্ডাক্টরের কাছে ছুরি কিভাবে এলো?

কন্ডাক্টর কি প্রথম থেকেই হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে এসেছিল?

টয়লেটেের বাইরে সাফাই কর্মচারীরে কেন ছিল না?

প্রদ্যুমানের রক্তের দাগ লেগেছিল জলের বোতলে, ক্লাসের সহপাঠীদের দিয়ে রক্তের দাগ ধোয়ানো হয়, তারপর হাত ধুয়ে নিতে বলা হয়।

“অভিভাবকদের অভিযোগ প্রদ্যুমানের হত্যার পর রক্তের দাগ বাচ্চাদের দিয়ে পরিষ্কার করানো হয়েছিল। শনিবার সকালে, মৃত ছাত্র প্রদ্যুমানের বাবা বরুণ ঠাকুর পুলিশ কমিশনারের সাথে দেখা করে বিচারের আবেদন জানান।”