Advertisement

অষ্টম শ্রেণী ফেল…মাত্র 21 বছর বয়সে কোটি কোটি টাকার মালিক

author image
2:25 pm 4 Apr, 2018

Advertisement

ত্রিশনিট আরোরা এমন একজন সিইও। যিনি কম্পিউটারের পড়াশুনা ছাড়াই এথিকাল হ্যাকিংয়ে ফোর্বসের 30 তালিকায় নিজের নাম তুলতে সক্ষম হয়েছেন। 21 বছর বয়সে ত্রিশনিট নিজের কোম্পানী খুলেছেন। এই কারণে, তাঁর নাম ইয়ং সিইওতে রয়েছে। ত্রিশনিট অষ্টম শ্রেণীতে ফেল করার পর বাবা-মাকে বলেন তিনি পড়াশুনা করতে চান না। তিনি পড়াশুনা ছাড়ার অনুমতি নেন। এখন তাঁর টিএসি সিকিউরিটি নামের সাইবার সিকিউরিটির কোম্পানি কোটি কোটি টাকা আয় করছে। ত্রিশনিট জানিয়েছেন, তিনি তাঁর শখকে ব্যবসা বানিয়েছেন, যার ফলে তিনি আজ এখানে পৌঁছেছেন।

ত্রিশনিটের বয়স মাত্র 24 বছর। লুধিয়ানার মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। ছোটবেলা থেকে পড়াশুনার পরিবর্তে কম্পিউটারে দিকে আগ্রহ বেশি ছিল। তিনি সারা দিন কম্পিউটারে হ্যাকিংয়ের কাজ শিখতেন। যার কারণে তিনি পড়াশুনা করতেন না এবং অষ্টম শ্রেণীতে ফেল করেন। ফেল করা পর তিনি পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে তিনি দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা দেন।

তিনি একজন এথিকাল হ্যাকার। যেখানে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মূল্যায়ন করা হয়। পর্যবেক্ষণ সার্টিফাইড হ্যাকার করে যাতে নেটওয়ার্ক বা সিস্টেম অবকাঠামোর নিরাপত্তা গোপনে থাকে।


Advertisement

যখন তিনি তাঁর কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন। তখন তাঁর বাবা তাকে 75 হাজার টাকা দেয়। মাত্র 24 বছর বয়সে তিনি কাজের মাধ্যমে এই উচ্চতায় পৌছেছেন।

মাত্র 21 বছর বয়সে টিএসি সিকিউরিটির নামে সাইবার সিকিউরিটি কোম্পানি তৈরি করেন। ত্রিশনিট বর্তমানে রিলায়েন্স, সিবিআই, পাঞ্জাব পুলিশ, গুজরাট পুলিশ, আমুল এবং এভন চক্রের মতো কোম্পানিগুলিতে সাইবার সম্পর্কিত সার্ভিস দিচ্ছেন। ‘হ্যাকিং টক উইথ ত্রিশনিট আরোরা ‘ ‘হ্যাকিংয় উইথ স্মার্টফোন’ এর মতো বই লিখেছেন।

দুবাই এবং ইউকেতে একটি ভার্চুয়াল অফিস আছে। । প্রায় 40% ক্লায়েন্ট এই অফিসে ডিল করেন। বিশ্বব্যাপী 50 টি ফরচুন এবং 500 টি কোম্পানি হল ক্লায়েন্ট। তিনি উত্তর ভারতের প্রথম সাইবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম প্রতিষ্ঠা করেন।

Advertisement


  • Advertisement