মাত্র একজন শিক্ষার্থীকে পড়ানোর জন্য এই শিক্ষক প্রতিদিন 50 কিলোমিটার যাতায়াত করেন

author image
12:04 pm 26 Mar, 2018

Advertisement

কিছু মানুষ এমন উদাহরণ তৈরি করে যেটা আমাদের জীবনকে নতুন অর্থ দেয়। তারা এমন কাজ করে যা আমাদের সারা জীবন মনে থাকে।

এমনই একটা উদাহরণ হলো শিক্ষক রণজিনাকান্ত মেণ্ডে যিনি শুধুমাত্র একটি ছাত্রকে পড়ানোর জন্য প্রতিদিন 50 কিলোমিটার যাতায়াত করেন। পুনে থেকে 100 কিলোমিটার দূরে ভোর গ্রামে সরকার তাকে নিয়োগ করেছে। এই গ্রামে মাত্র 15 টি বাড়ি আছে এবং পড়ুয়ার সংখ্যা 1 জন।

আট বছরের যুবরাজ সাঙ্গলে বলেছে, যে সে কোনও বন্ধু ছাড়া স্কুলে যায়। মেণ্ডের যাতায়াত আপনারা যতটা সহজ ভাবছেন ততটা সহজ নয়। পাহাড় অতিক্রম করে যেতে হয়, যারা দুপাশের গভীরতা 400 ফুট।


Advertisement

তিনি প্রথমে এই গ্রামে পৌছে যুবরাজকে খুঁজে পান। কিন্তু যুবরাজের স্কুলে যেতে ইচ্ছা করে না কারণ তাকে প্রতিদিন একা স্কুলে যেতে হয়। বহুবার সে গাছের মধ্যে লুকিয়ে পড়ে। মেণ্ডে তাকে খুঁজে নিয়ে স্কুলে যান।

বর্ষাকালে সেই এলাকায় জায়গায় যাওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। ভোরের চন্দর গ্রামের স্কুলে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এই এলাকায় অনেক সাপ রয়েছে।

মেন্ডে বলছেন,



“একদিন স্কুলের ছাদ থেকে তার ওপর সাপ পড়ে। বাইকে করে আসার সময় কাঁদা রাস্তায় তিনি একটি সাপের ওপর পড়ে যান। তিনি ভাবতে পারেননি যে তিনি বেঁচে যাবেন “

তাছাড়া গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। তবে তিনি কিছু উন্নতি এনেছেন। ছোট টিভি সেটের সাহায্যে “ই-লার্নিং” উদ্বোধন করেছেন।

আধুনিকায়ন সম্পর্কে তিনি বলেছেন,

“গ্রাম কর্মকর্তারা দুই বছর আগে 12-ভোল্ট সৌর প্যানেলের সাহায্য করেছিলেন। যুবরাজের আগ্রহকে বাড়ানোর জন্য দুটি ট্যাবলেট কিনেছি। ”

মেন্ডে দুঃখিত যে এই বয়সে শিশুরা পড়াশুনার সাথে খেলাধূলাও করে। কিন্তু যুবরাজকে মাত্র 1 জন শিক্ষক, খালি ডেস্ক এবং 4 টি দেওয়ালের সাথে থাকতে হচ্ছে।


Advertisement

মেন্ডে একজন জেলা পরিষদ শিক্ষক এবং তিনি 5 বছর পর স্থানান্তর জন্য আবেদন করতে পারেন। আমরা তাঁর উতসর্গকে প্রণাম করি। যিনি সমস্ত বাধা অতিক্রম করে একজন ছাত্রকে পড়াতে আসেন।


  • Advertisement