Advertisement

গবেষণায় বলা হয়েছে যারা বেশি গালাগালি দেয় তারা তত বুদ্ধিমান হয়

author image
4:54 pm 9 Sep, 2017

Advertisement

গালাগালি দেওয়ার চিহ্ন হলো বর্বরতা। যে যত গালাগালি দেয় সে তত বর্বর হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীদের মতে বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে যে যত বেশি গালাগালি দেয় সে তত বেশি বুদ্ধিমান হয়। বিশ্বাস না হলেও এটাই সত্যি। গবেষকরা গালাগালি দেওয়ার ব্যক্তির সাথে বুদ্ধিকে যুক্ত করেছে।

এখনও পর্যন্ত এটা মনে করা হতো যে যাদের কাছে কথাবলার জন্য কোনও ভালো শব্দ থাকে না তারাই গালাগালি দেয়। কিন্তু নিউ ইয়র্কের মেইস্ট কলেজের গবেষকরা বলছেন, গালাগালির জ্ঞান ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তাকে প্রদর্শিত করে।

গবেষণা অনুযায়ী, গালাগালি দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষদের এবং মহিলাদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। নৈতিকতা-ব্যভিচারের বিষয়কে একদিকে রাখলে বেশি গালাগালি দেয় মহিলারা।


Advertisement

বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণায় দেখেছেন, যারা এক মিনিটের মধ্যে যত বেশি গালাগালি দেয় তাদের শব্দ ভান্ডার ততটাই ভালো হয়। অর্থাত্ তারা অন্যান্য বিষয়ে অনেক শব্দ জানে ব্যক্তির শব্দের সচেতন হওয়ার বিষয়টি তাদের বুদ্ধিমানের প্রতীক।

গবেষকরা দুটি গবেষণায় একটি দলকে এক মিনিটের মধ্যে গালাগালি, অপশব্দ. জন্তুদের নাম বলতে বা লিখতে বলা হয়। দুবারই মহিলাদের সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি ছিল। এই পরীক্ষার পর তাদের মৌখিক পরীক্ষাও নেওয়া হয়। এই পরীক্ষায় দেখা গেছে যে মানুষ এক মিনিটের মধ্যে বেশি পরিমাণে গালাগালি লিখতে এবং বলতে পারছে।

গবেষকদের মতে গালাগালি দেওয়া বুদ্ধিমানের বিষয় নয়। বুদ্ধির বিষয়টি হলো এটার ব্যবহার কখন কোথায় করতে হয়। বুদ্ধিমানরা সবার সামনে সবসময় গালাগালি দেয় না, বিশেষ সময়ে এর প্রয়োগ করে। বুদ্ধিমত্তা এর মাধ্যমেই জানা যাবে।

Advertisement


  • Advertisement