Advertisement

15 জনপ্রিয় বলিউড সিনেমা যেগুলির ওপর পাকিস্তানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে

author image
1:29 pm 23 Mar, 2018

Advertisement

ভালো প্রতিবেশীর মতো, আমরা আশা করি যে আমাদের সফল চলচ্চিত্রগুলির উপভোগ করতে পারবে পাকিস্তান। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো পাকিস্তানে ভলো সিনেমাকে রিলিজ করতে দেওয়া হয় না। বিশ্বব্যাপী ভারতীয় সিনেমার প্রশংসা করা হয়। পাকিস্তানে কঠোর নিয়মের জন্য ভারতের বেশিরভাগ সিনেমা সেখানে মুক্তি পায় না। এখানে 15 বলিউড সিনেমার নাম দেওয়া হলো যেগুলি পাকিস্তানে মুক্তি পায়নি।

1. অক্ষয় কুমারের ‘পেডম্যান’

পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ড অনুযায়ী, ইসলামিক সংস্কৃতির জন্য এই সিনেমাকে ‘নিষিদ্ধ’ করা হয়েছে।

2. আনুষ্কা শর্মার ‘পারী’

পাকিস্তানে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সেন্সরস (সিএলএফসি) পারীর স্ক্রিনিং নিষিদ্ধ করেছে। কারণ এই সিনেমায় দেখানো কালোজাদু মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করে।

3. সালমান খানের ‘টিউবলাইট’

সালমান খানের ভক্তরা তাদের প্রিয় তারকার সিনেমা দেখতে পায়নি। আর্থিক কারণে এই সিনেমা সেখানে মুক্তি পায়নি।

4. ক্যাটরিনা কাইফের ‘টাইগার জিন্দা হায়’

‘নিষিদ্ধ কন্টেন্ট’ এর জন্য সুপার হিট সিনেমা আমাদের প্রতিবেশী দেশে মুক্তি পায়নি। সেন্সর চিফের মতে, পাকিস্তানে আনার জন্য নো-অবজেকশন সার্টিফিকেশন প্রত্যাখ্যান করা হয়। এই সিনেমায় দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিষয়ে দেখানো হয়েছে।

5. আমির খান অভিনীত ‘দঙ্গল’

আমির খানের ‘দঙ্গল’ সকলের হৃদয় জয় করেছে। কিন্তু পাকিস্তানে মুক্তি পায়নি। আমির খান চাননি পাকিস্তানে দাঙ্গাল মুক্তি হোক। কারণ পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ড ভারতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের দৃশ্য কেটে দিতে বলেছিল।

6. অক্ষয় কুমারের ‘জলি এলএলবি 2’

এই সিনেমায় অক্ষয় কুমারকে নিখুঁত আইনজীবী হিসাবে দেখানো হয়েছে। ছবিটি নিষিদ্ধ করার কারণ হলো এখানে কাশ্মীরের সম্পর্কে দেখানো হয়েছিল। যেটা পাকিস্তানে ভালোভাবে নেয়নি।

7. শাহরুখ খান অভিনীত রইস

শাহরুখ খান রইসে পাকিস্তানের শীর্ষ অভিনেত্রী মাহিরা খানও ছিলেন। পাকিস্তানে ব্যান করার কারণ হলো এখানে মুসলমানদেরকে অপরাধী ও অসহযোগী সন্ত্রাসী হিসাবে দেখানো হয়েছে।

8. জন আব্রাহামের ‘ধিশুম’


Advertisement

এই সিনেমায় দেখানো হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেটারকে অপহরণ করা হয়েছিল।

9. ফাওয়াদ খান ‘এ দিল হেয় মুশকিল’

ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘাতের কারণে পাকিস্তানে মুক্তি পায়নি। ভারতীয় ডিস্ট্রিবিউটারদের মধ্যে এই সিনেমা নিয়ে অসন্তোষ ছিল। আইএমপিপিএ পাকিস্তানী শিল্পীদের ভারতে কাজ করার বিষয়ে বিরোধিতা করে।

10. সোনাম কাপুরের ‘নিরজা’

পাকিস্তানকে ভালোভাবে না দেখানোর জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। মুখ্য চরিত্রে সোনাম কাপুর বিমান পরিচারিকার ভূমিকায় ছিলেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-কে বেশ কয়েকটি রেফারেন্স দেখানো হয়েছে।

11. তাপসী পান্নুর ‘নাম শাবানা’

মুক্তির একদিন পর ব্যান করা হয়। ইসলামাবাদে সিনেমর কয়েকটি অংশে আপত্তি প্রকাশ করে। পরে পাকিস্তানে সম্পূর্ণভাবে স্ক্রীনিং নিষিদ্ধ করা হয়।

12. সাইফ আলি খানের ‘ফ্যান্টম’

জেইউডি প্রধান এবং মুম্বাইয়ের হামলাকারী মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সাঈদের অনুরোধে পাকিস্তান আদালত সাইফ আলি-ক্যাটরিনা কাইফের ‘ফ্যান্টম’ ব্যান করে। তিনি অভিযোগ করেন যে, 26/11 হামলার ওপর সিনেমা তৈরি করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে এবং তার দলের বিরুদ্ধে “বাজে প্রচার” রয়েছে।

13. শহিদ কাপুরের ‘হায়দার’

বিশাল ভারদওয়াজের কাশ্মিরের রাজনৈতিক পটভূমির ওপর তৈরি হওয়া হায়দারকে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই বিষয়টি দুটি দেশের মধ্যে সংবেদনশীল। 1995 সালে কাশ্মীরের ইস্যুর ওপর তৈরি হয়েছিল।

14. ফারহান আখতারের ‘ভাগ মিলখা ভাগ’

মিলখা সিং-এর ভূমিকায় ফারহানের অভিনয় সকলের প্রশংসা পায়। যদিও সিনেমাটি পাকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ফারহানের একটি ডায়ালগ “মুজেস না হোগা, মে পাকিস্তান নেই জায়ুঙ্গা” যা পাকিস্তানে অনুভূতিকে আঘাত করে। সিনেমায় মিলখাকে পাকিস্তানে যেতে বলা হয় কিন্তু তিনি না করেন। কারণ 1947 সালের দাঙ্গার সময় মিলখার পরিবারের সদ্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

15. সোনাম কাপুরের ‘রাঞ্জনা’

পাকিস্তানে ব্যান হওয়ার কারণ হলো মুসলিম মেয়ে হিন্দু ছেলেকে ভালোবাসে। এই বিষয়টি পাকিস্তান থেকে লাল সংকেত দেখানোর জন্য যথেষ্ট ছিল।

Advertisement


  • Advertisement