যৌন কেলেঙ্কারির সাথে নাম জড়িয়েছে এই খেলোয়াড়দের

author image
11:36 am 10 Nov, 2017

প্রায়ই খেলোয়াড়দের নাম যৌন কেলেঙ্কারির সাথে যুক্ত থাকে। বেশিরভাগ মনে করেন যে ফুটবলাররা এই ধরনের কাজ করে থাকেন। তবে, এটি সত্য নয়। ম্যাচ ফিক্সিং এবং বল-স্প্রেডিংয়ের মতো কাজ করে এমন ক্রিকেটারদের নাম জড়িয়ে রয়েছে যৌন কেলেঙ্কারির সাথে। আসুন বলা যাক এই তালিকায় কোন কোন ক্রিকেটার রয়েছেন।

শেন ওয়ার্ন

এই অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়ার শেন ওয়ার্নকে স্পিনের সাথে স্ক্যান্ডালের রাজা বলা হয় তাহলে ভুল হবে না। 2002 সালে এক ব্রিটিশ নার্স অভিযোগ করেছিল শেন ওয়ার্ন তার সাথে অভদ্র আচরণ করেছে। তার অভিযোগ ছিল ওয়ার্ন তাকে নোংরা ভয়েস ম্যাসেজ পাঠাতো। 2006 সালে শেন ওয়ার্নের নাম জড়ায় আরেকটি স্ক্যান্ডালের সাথে। ব্রিটেনের দুজন মডেলের সাথে শেন ওয়ার্নের ছবি প্রকাশিত হয়। যেখানে তাঁকে উভয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে দেখা যাচ্ছে।

শহিদ আফ্রিদি

এই পাকিস্তানি খেলোয়াড়ও সেক্স স্ক্যান্ডালের সাথে যুক্ত ছিল। করাচির হোটেলে দুই খেলোয়াড়ের সঙ্গে আফ্রিদিকে ধরা হয়েছিল। তারপরে এই সব খেলোয়াড়দের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়া ভারতীয় মডেল আরিশি খান আফ্রিদির সাথে তার সম্পর্কের কথাও বলেছেন।

 

কেভিন পিটারসন

ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানের ওপর সেক্স অ্যাডিক্ট হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগ করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার প্লেবয় মডেল ভেনেসা নিমমো। এক মাসের ডেটিংয়ের পর পিটারসেন নিমমোর সাথে ব্রেকআপ করে নেন। এরপর নিমমো বলেন, পিটারসেনের ক্রিকেটের চেয়ে যৌনতার প্রতি বেশি আগ্রহী।

 

ক্রিস গেইল

ক্রিস গেইল পার্টি করতে খুব ভালোবাসেন। 2012 সালে টি -20 বিশ্বকাপে তিনটি মেয়েকে তাঁর রুম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ক্রিস গেইল বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় হোটেলের রুমে তিনটি মেয়ের সাথে তিনি আপত্তিজনক অবস্হায় ছিলেন। 2015 সালের বিশ্বকাপের সময় এক মহিলা কর্মচারী গেইলের বিরুদ্ধ অভদ্র আচরণের অভিযোগ করে।

 

মাইক গেটিং

মাইক ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক। তাঁর ভুল কর্মের কারণে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের সময় বারগার্ল লুইস শিপম্যানের সাথে মাইক শারীরিক সম্পর্ক করছিলেন।



হার্সেল গিবস

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান তাঁর আত্মজীবনীতে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন: “1999 সালে বিশ্বকাপ গ্রুপের ম্যাচ আগে, আমি জানতাম আমাকে শত রান করতে হবে। আমার পাশে শুযে থাকা মেয়েটি আমাকে প্রেরণা দেয়। তিনি হোটেলে কাজ করতেন, সেখানে তার সাথে আমারবন্ধুত্ব হয়। আমি মনে করতাম যে সে আমার জন্য ভাগ্যবান।”

ড্যারিল টাফি

নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলার ড্যারিল টাফিও তাঁর রঙিন ব্যক্তিগত জীবনের কারণে স্পটলাইটে রয়েছেন। 2005 সালে তাঁর একটি যৌন টেপ প্রকাশিত হয়। এই টেপে, তিনি একটি দোকানে মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্কে রয়েছে।ন ব্রিটেনের দুজন পর্যটক এটা ভিডিও করেছিলেন। তবে টাফির বিরুদ্ধে অভিযোগ পরে প্রমাণিত হয়েনি, কারণ মহিলাটি বলেছিল যে তিনি টাফির সাথে কখনও দেখা করেননি।

আসাদ রউফ

শহিদ আফ্রিদির পাশাপাশি পাকিস্তানি আম্পায়ার আসাদ রউফও যৌনকর্মে জড়িত ছিলেন। 2012 সালে মুম্বাইয়ের মডেল লিনা কাপুর আসাদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করে। লিনা তার ও আসাদের অনেক ছবি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন।

ইয়ান বোথাম

স্যার ইয়ান বোথাম বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডারের মধ্যে একজন। কিন্তু এই মহান খেলোয়াড় তাঁর নিজের স্ত্রীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ান ওয়েট্রেসের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল

2005 সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পুরো দল যৌন মামলায় ধরা পড়ে । সেই সময় অস্ট্রেলিয়ার ভিবি সিরিজে ছয় ম্যাচে পাঁচটি পরাজয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ টুর্নামেন্টের বাইরে বেরিয়ে যা।য় এরপর দলের স্পনসার ডিসীসেল রেগে যান এবং বলেন যে রানের তুলনায় খেলোয়াড়দের কাছে মেয়েদের ফোন নম্বরের সংখ্যা অনেক বেশি। কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানায় ব্রিসবেনের ম্যাচের আগে খেলোয়াড়রা অনেক মজা করতেন এবং মেয়েদের কণ্ঠস্বর তাদের রুম থেকে শোনা যেতো।

শ্রীলংকার দল

2005 সালে সমগ্র শ্রীলংকার ক্রিকেট দল সেক্স স্ক্যান্ডালে জড়ায়। উইজডেনের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলংকা পুলিশ মাউন্ট লুইনাতে টেম্পল রোডের একটি বাড়িকে অভিযান চালায়। জানা যায় যে দশ বছর ধরে ক্রিকেটাররা এখানে আসতো। এই রেকেটটি খবর তখন জানা যায় যখন এক পুলিশ অফিসার ক্রিকেটার সেঁজে সেখানে যায়। পুলিশ 78 বছর বয়সী মাদামসহ 8 জনকে আটক করেছিল।