একটি গবেষণায়ও প্রকাশ করা হলো দিল্লির জলে উপস্হিত রয়েছে প্লাস্টিকের কণা

author image
1:30 pm 8 Sep, 2017

Advertisement

এক গবেষণায় দেখা যায় যে, পাইপে আসা জলের মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিকের ফাইবার, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। তবে এখনও গবেষণা বাকি রয়েছে যে এটা কতটা ক্ষতিকারক।

ওরবি এবং ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটা কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণায় এটি প্রকাশ করা হয়েছে। এই গবেষণা বিশ্বের 12 টিরও বেশি দেশের জলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। জলের এই নমুনার মধ্যে 83 ভাগ প্লাস্টিকের কণার সন্ধান পাওয়া গেছে।

এই গবেষণা ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সরবরাহকৃত জলেরর নমুনাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অরব মিডিয়া স্টাডির মতে, দিল্লি-এনসিআর-এর 17 টি অঞ্চলের জলের নমুনা পরীক্ষা করে জানা গেছে দিল্লি ওয়াটার বোর্ড দ্বারা সরবরাহকৃত জলে রয়েছে মাইক্রোস্কোপিক প্লাস্টিকের ফাইবার।

উদাহরণস্বরূপ, প্রীত বিহার ও মালভিয়া নগরের এলাকা থেকে নেওয়া নমুনা ভূগর্ভস্থ ছিল। দিল্লি জল বোর্ডের একজন বরিষ্ঠ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘শহরে জলের সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে মেটাল পাইপ দিয়ে সম্পন্ন করা হয়। আমরা বলতে পারি না যে এই কণা প্লাস্টিকের পাইপের কারণে জলে মিশে যাচ্ছে। পদক্ষেপ নেওয়ার আগে, আমাদের মাইক্রোপ্রলিসিক্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।’

তবে ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটার এই নমুনার পরীক্ষক মেরি কৌসথ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ একটি ইমেল সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘আমরা পূর্ণ নিশ্চয়তা সহকারে বলতে পারি না যে জলে পাওয়া যাওয়া কণা প্লাস্টিক কিনা। সম্ভবত এটা অ্যানথ্রোপজেনিক ফাইবার হতে পারে। যা মানুষের কার্যকলাপ দ্বারা উত্পাদিত হয়।’


Advertisement

দিল্লি-ভিত্তিক সহযোগী এনজিও টক্সিক্স লিংক দ্বারা বাড়িতে আসার 15 টি নমুনার মধ্যে মাইক্রোপ্র্লাস্টিক কণার সন্ধান পাওয়া গেছে।

জল সাধারণত জামাকাপড় কাঁচা, বাসন মাজা, স্নান করতে ব্যবহার করা হয়। শুধুমাত্র ফিল্টার করা জলই পান করা যেতে পারে। কিন্তু প্রথমদিকে জল ফিল্টার করা হতো না। এই গবেষণায় সেই সমস্ত এলাকার জল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েনি। যেখানে লোকেরা কলে আসা জল পান করেন শুধুমাত্র এমবি রোড, জঙ্গপুরা এক্সটেনশন এবং সারিটা বিহারের জলের নমুনায় এই কণা পাওয়া যায়নি।

গবেষণায় বলা হয়েছে যে জলের নমুনাগুলি উচ্চ ঘনত্বের পলিইথিলিন (এইচডিপিএ) বোতলগুলিতে নেওয়া হয়েছিল, যাতে Hdpe কণাকে প্লাস্টিকের কণার সাথে আলাদা করা যেতে পারে। প্রতিটি নমুনা সরাসরি জলের কল থেকে ভরা হয়েছে।

গোয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ওশিয়ানোগ্রাফির প্রাক্তন বৈজ্ঞানিক রামায়া তাগপ্পা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, “এটা বলা একটি শক্তিশালী বিবৃতি যে জলে মাইক্রোপ্রলিসিক্স রয়েছে। তিনি বলেছেন দিল্লির মতো শহরে জল শুদ্ধ করার জন্য সমস্ত পদ্ধতি রয়েছে। সমুদ্রের জলে প্রতি লিটারে আপনি 1.5 থেকে 2 কেজি প্লাস্টিকের কণা পাবেন। কিন্তু গোয়ার জলে এই ধরনের কণা থাকার কথা আমি বিশ্বাস করতে পারবো না।”

 

Advertisement


  • Advertisement