Advertisement

কুতুব মিনার মূলত মেরু স্তম্ভ, যার ব্যবহার গ্রহ নক্ষত্র অনুসন্ধানের জন্য করা হতো

author image
4:40 pm 8 Nov, 2017

Advertisement

কুতুব মিনার হলো ইঁটের দ্বারা নির্মিত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনার। নিউ দিল্লিতে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক ভবনটি দেখতে দেশ ও বিদেশের লোকেরা আসেন। 73 মিটার উঁচু ভবন নির্মাণ করেছিলেন কুতুবদ্দীন আইবক। কুতুব মিনার দিল্লির প্রধান আকর্ষণগুলির মধ্যে একটি।

ইটের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মিনার।

ভারতে অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থানগুলির সাথে রহস্য আর বিবাদ যুক্ত রয়েছে। কুতুব মিনারের সাথে যুক্ত একটি সত্য রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কুতুব মিনারের নির্মাণ একটি হিন্দু ভবনের ধ্বংস করে করা হয়েছে।

কুতুব মিনার পরিসরে 27 হিন্দু ও জৈন মন্দির রয়েছে।

এটি সম্পূর্ণ স্পষ্ট যে কুতুব মিনারের পরিসরের মধ্যে অনেক হিন্দু কাঠামো, প্রতীক এবং অবশিষ্টাংশ রয়েছে। কুতুব-উল-ইসলাম মসজিদ যে স্তম্ভের ওপর অবস্হিত ছিল সেটা হিন্দু কাঠামোর অংশ ছিল। এই মসজিদে 27 হিন্দু ও জৈন মন্দিরের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর সুশোভিত স্তম্ভগুলি তারই প্রমাণ দিচ্ছে। এই তথ্যটি ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ফলককেও দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে কুতুব মিনার মূলত ঐতিহাসিক মেরু স্তম্ভ। প্রাচীনকাল থেকেই মেরু স্তম্ভ জ্যোতির্বিদ্যা পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এখানে যে 27 মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। সেটা প্রকৃতপক্ষে হিন্দু রাশি চক্র 27 নক্ষত্রের জন্য তৈরি করা মন্ডপ।


Advertisement

আইবক যখন মন্দির ধ্বংস করেছিল তখন স্তম্ভ কোথায় গেলো?

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন মিনারে সেই মন্দিরের স্তম্ভ লাগানো হয়েছে। ইসলামী স্থাপত্য হিসাবে দেখানোর জন্য মাত্র কয়েকটি পরিবর্তন করা হয়েছে। তারা বলেন যে হেলিকপ্টার দেখার সময়, স্তম্ভের ওপর কমলের প্রতীক দেখা যায়।

কুতুব মিনারকে উপর থেকে এইরকম দেখায়। কমল ফুলের মত।

যারা কুতুব মিনারকে ধ্রুব স্তম্ভ বলেছেন। তাদের মতে কোন ইসলামি কাঠামোতে কুতুব মিনারের স্তম্ভের মতো কোনও শৈলী নেই। সমস্ত ইসলামিক স্তম্ভে লিপি খোদাই করা আছে। কুতুব মিনার তাদের থেকে ভিন্ন।

এই মিনার হিন্দু স্থাপত্যের একটি নমুনার মত দেখতে।

আরবি ভাষায়, ‘কুতুব’ একটি ‘অক্ষ’, ‘কেন্দ্র বিন্দু’ যাকে ‘স্তম্ভ’ বলা হয়। যার থেকে স্পষ্ঠ যে এই মিনারের ব্যবহার স্বর্গীয় ক্রিয়াকলাপের জন্য ব্যবহার করা হতো। ঔপনিবেশিক ও গণতান্ত্রিক ঐতিহাসিকগণ এটাকে কুতুবদ্দীনের সাথে যুক্ত করেছে। এই মিনারকে কুতুব মিনারের নামে প্রচার করে তবে একে কাকতালীয়ভাবে বলা যেতে পারে।

Advertisement


  • Advertisement