Advertisement

এই দ্বীপের ওপর নজর রয়েছে উত্তর কোরিয়ার , পারমাণবিক হামলা করে বিধ্বস্ত করতে চায়

author image
12:37 pm 12 Aug, 2017

Advertisement

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্হিত গুয়াম দ্বীপের গর্ভনর উত্তর কোরিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাওয়া হুমকি বার্তা সম্পর্কে বলেছেন, তাদের দ্বীপের ওপর কোনও সংকট নেই। গুয়ামের গভর্নর একটি অনলাইন ভিডিও জারি করে বার্তা দিয়েছেন, গুয়াম আমেরিকার মাটির এবং যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বারা নর্থ কোরিয়ার ওপর হামলা জবাবে উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন গুয়াম গুয়ামে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছে।

1898 সালে গুয়াম দ্বীপ স্পেনের দখলে ছিল। কিন্তু স্প্যানিশ-আমেরিকান যুদ্ধের সময় আমেরিকা এই দ্বীপের ওপর অধিকার স্হাপন করে। এরপরই এটা আমেরিকার অংশ হয়। 10 ডিসেম্বর 1898 সালে আধিকারিক রূপে গুয়াম দ্বীপ জাতিসংঘ সপ্তদশ নন্-সেল্ফ টেরিটরীজ ঘোষণা করেন।


Advertisement

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় 1941 সালে জাপান আমেরিকার পার্ল হারবার বন্দরে আক্রমণ করেন। এরপর জাপানের বাহিনী গুয়াম দখল করে। তারপর প্রায় আড়াই বছর ধরে গুয়াম জাপানের দখলে ছিল। এখানে জাপানের সেনা স্হানীয়দের ওপর ভীষণভাবে অত্যাচার করে তাদের হত্যা করে। তবে, জুলাই 21 1944 সালে আমেরিকান সেনা এই দখলকারী এলাকার ওপর বোমা হামলা করে পুনরায় গুয়াম দখল করে।

1960 সালের পর আমেরিকা এই স্হানটিকে পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করেন। যেটা সেখানকার স্হানীয় বাসিন্দাদের প্রধান আয়ের উত্স। বর্তমানে এখানে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক আসেন। তারমধ্যে বেশিরভাগ পর্যটক জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের। গুয়াম জনসংখ্যা 163,000 (2016 সালে জনগণনা অনুযায়ী) । এখানে রয়েছে মার্কিন সামরিক বেস যার মধ্যে আছে সাবমেরিন স্কোয়াড্রন, এয়ারপোর্ট এবং একটি কোস্টগার্ড গ্রুপ। উত্তর কোরিয়ার হুমকির পর আমেরিকা এখানে যুদ্ধবিমান পাঠাতে শুরু করেছে। তাছাড়া এখানে অ্যান্টি মিসাইল ডিফেন্স মোতায়েন করা হয়েছে।

Advertisement


  • Advertisement