এই 10 ভারতীয় নিয়মের পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ

author image
12:59 pm 23 Feb, 2018

Advertisement

প্রত্যেক সংস্কৃতির নিজস্ব কিছু নিয়ম থাকে। যা মানুষ বহু বছর ধরে পালন করে আসছে। আমাদের হিন্দু ধর্মে পা ধরা থেকে শুরু করে সিঁদুর পড়ার মতো নিয়ম রয়েছে। শত শত বছর ধরে মানুষ মেনে আসছে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে তাদের পিছনে শুধু ধর্মীয় কারণ আছে তা নয় বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে।

1. নমস্কার

কারো সাথে দেখা হলে, আমরা হাত জোড় করে নমস্কার করি। এই রকম করার সময় আমাদের হাতের আঙুলগুলি এক অপরের সাথে যুক্ত হয় চাপ সৃষ্টি করে। যার ইতিবাচক প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কের উপর পড়ে। এর ফলে আপনার বুদ্ধি বাড়ে এবং শান্তি বোধ করেন।

2. মন্দিরের মধ্যে ঘণ্টা বাজানো


Advertisement

মন্দিরে ঘন্টা বাজানোর শ্রদ্ধার সাথে বৈজ্ঞানিক কারণ যুক্ত রয়েছে। মন্দিরের ঘন্টা বিভিন্ন ধরনের ধাতু থেকে তৈরি হয়। যখন ঘন্টি বাজানো হয় তার থেকে বেরানো শব্দটির প্রতিধ্বনি প্রায় 7 সেকেন্ডের জন্য শরীরের সাতটি চক্র স্পর্শ করে, যা আপনার একাগ্রতার শক্তি বৃদ্ধি করে। আপনি কোন কাজ ভাল মনোযোগ দিতে পারেন।

3. পূজোর সময় সিল্ক জামাকাপড় পরা

মনে করা হয় যে সিল্কের কাপড়ের মধ্যে বিদ্যুতের চুম্বকীয় শক্তিকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা আছে। যখন আপনি সিল্ক কাপড় পরে পূজো করেন তখন ইতিবাচক শক্তি আপনার শরীরে প্রবেশ করে। যার ফলে আপনি শান্তি অনুভব করেন।

4. বিবাহিত মহিলারা সিঁদুর পরেন

হিন্দুধর্মে প্রত্যেক বিবাহিত মহিলাকে মাথায় সিঁদুর পড়তে হয়। সিঁদুর হলুদ এবং পারদ তৈরি করা হয়। লাগানোর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। সিঁদুর লাগানোর ফলে স্ট্রেসও কমে।

5. চুড়ি পরা



চুড়িকে বিয়ের চিহ্ন মনে করা হয় যখন চুড়ির আওয়াজ হয় ।তখন ঘর থেকে নেতিবাচক শক্তি বেরিয়ে যায়। প্রাচীন আয়ুর্বেদ মতে, মহিলাদের হাড় পুরুষদের তুলনায় দুর্বল, অতএব প্রাচীনকাল থেকে মহিলারা সোনা ও রুপার চুড়ি পড়েন। প্রথম নাড়ির মাধ্যমে রোগের সম্বন্ধে জানা যেতো। চুড়ি পড়ার ফলে কব্জিতে ঘর্ষণের ফলে রক্ত চলাচাল ভালো হয়।

6. পায়ে আংটি পড়া

সিঁদুরের সাথে বিবাহিত মহিলাদের পায়ে আংটি পড়তে হয়। দ্বিতীয় আঙ্গুলে পড়ার ফলে স্নায়ুর মাধ্যমে ইউরাস ও হার্ট যুক্ত থাকে। যে আঙ্গুলে আংটি পড়া হয় তার ওপর চাপ পড়ে যা মাসিক চক্রের সময় রক্ত ​​সঞ্চালনকে ঠিক রাখে।

7. শুভ কাজে হলুদের ব্যবহার

হলুদের ব্যবহার শুভ কাজে করা হয়। হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এন্টি-প্রদাহী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আমাদের দেশে বহু শতাব্দী ধরে হলুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন ক্যান্সার, আল্জ্হেইমের, ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাইটিসের মত রোগ সারাতে সহায়ক।

8. ওম এর উচ্চারণ

ওম এর প্রতিধ্বনি আপনার মন এবং মস্তিষ্ককে শান্তি দেয়। এটাকে মহাবিশ্বের প্রথম মৌলিক শব্দ বলে মনে করা হয়। ওম লার সময়, আমাদের শরীরের তিনটি অংশ পেট, বুকে এবং মুখ উপর চাপ পড়ে।

9. মাটিতে বসে খাওয়া

আমাদের সংস্কৃতিতে মাটিতে বসে খাবার খাওয়ার নিয়ম রয়েছে। বৈজ্ঞানিক মনে মাটিতে বসে খাবার খাওয়ার ফলে পাচনতন্ত্র ঠিক থাকে। বার বার উঠলে বসলে পায়ের জয়েন্ট মজবুত হয়।

10. ভোজনের শুরু ঝাল দিয়ে এবং শেষ মিষ্টি দিয়ে


Advertisement

আপনি খেয়াল করেছেন যে খাবারের শেষে আমাদের সংস্কৃতিতে মিষ্টি খাওয়ার প্রথা রয়েছে। বৈজ্ঞানিক কারণ হলো ঝাল খাবার খাওয়ার পর পেটে পাচনরস এবং অ্যাসিড সক্রিয় হয়ে যায়। যার ফলে পেটে ব্যাথা হতে পারে মিষ্টি খাওয়ার পরে, হজম আস্তে আস্তে হয়।


  • Advertisement