এই মন্দিরের কোষাগারে রয়েছে কোটি টাকার সম্পত্তি, বিজ্ঞানীরাও এই রহস্যের সমাধান করতে পারেননি

author image
4:52 pm 21 Sep, 2017

Advertisement

আজ আমরা আপনাদের দেবীর এমন একটি রহস্যময় মন্দির সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি, যার সামনে বিজ্ঞানও অসফল। আমরা কোলহাপুর মহালক্ষ্মী মন্দিরের কথা বলছি যার স্তম্ভগুলি এখনও গণনা করা সম্ভব হয়েনি।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মন্দিরে লুকানো রয়েছে মূল্যবান ধন-সম্পত্তি। তিন বছর আগে যখন এই মন্দির খোলা হয় সামনে আসে স্বর্ণ, রৌপ্য ও হিরের মতো মূল্যবান জিনিস। যার বাজার মূল্য কোটি কোটি টাকা। কোষাগারে রয়েছে সোনার বড় গঁদা, সোনার চেইন, হিরের তলোয়াড়, মহালক্ষীর সোনার মুকুট, সোনার পাখি, সোনার পায়েল, মুঘল আদিল শাহী, পেশোয়া সময়ের বহু গহনা।

ঐতিহাসিকদের মতে, কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী মন্দিরে কোঙ্কন রাজা, চালুক্য রাজা, আদিল শাহ, শিবাজী এবং তাঁর মা জিজাবাঈ উত্সর্গ করেছেন। মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে 10 দিনের সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে সম্পত্তির গণনা করা হয়। সম্পত্তির গণনার পর সম্পত্তির বীমা করানো হয়। এর আগে 1962 সালে মন্দিরের কোষাগার খোলা হয়েছিল।


Advertisement

মন্দিরের বাইরে শিলালিপি থেকে জানা যায় এটা 1800 বছর পুরানো। শালি বাহন পরিবারের রাজা কর্ণদেব নির্মাণ করিয়েছিলেন। যার পরে ধীরে ধীরে মন্দির প্রাঙ্গনে 30-35 টি মন্দির নির্মাণ করানো হয়েছিল। 27 হাজার বর্গ ফুট জুড়ে প্রসারিত 51 শক্তিপীঠের মধ্যে একটি। আদি শঙ্করাচার্য মহালক্ষ্মী মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন।

এই মন্দিরে অবস্হিত স্তম্ভের সাথে যুক্ত রয়েছে রহস্য। যেটা সমাধান করতে বিজ্ঞানীরাও অসফল। মন্দিরের চারদিকে একটি করে দরজা রয়েছে এবং সংখ্যা নিয়ে মন্দির প্রশাশনের দাবি আজ পর্যন্ত এই স্তম্ভগুলি গণনা করা সম্ভব হয়েনি। মন্দির প্রশাসন অনুযায়ী, যখন কেউ এই স্তম্ভগুলিকে গণনা করার চেষ্টা করে তখনই তার সাথে অলৌকিক ঘটনা ঘটে।

বলা হয় যে দেবী সতীর তিনটি চোখ এখানে পড়েছিল। ভগবতী মহালক্ষ্মীর বাসস্থান হিসাবে গণ্য করা হয়।মন্দিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যটি হল, বছরে একবার দেবী মূর্তির উপর সূর্যের আলো পড়ে। বড় পাথর দিয়ে তৈরি করা এই মন্দিরের নির্মাণ চুন ছাড়া করা হয়েছে। মন্দিরে মহালক্ষ্মীর তিন ফুট উঁচু, চতুর্ভুজাকার মূর্তি আছে।কোলহাপুর শ্রীমহালক্ষ্মী কর্ভেরের বাসিন্দাদের কাছে ‘অম্বাবাই’ নামেও পরিচিত।

Advertisement


  • Advertisement