এই শহরে নেই একটিও গাড়ি, নিজের ইচ্ছামতো বাড়ি তৈরি করতে পারবেন

author image
5:16 pm 17 Aug, 2017

Advertisement

এমন একটি শহরের কথা কল্পনা করুন যেখানের লোকদের জন্য হাসপাতাল, রেস্টুরেন্ট এবং বারের মতো সুবিধা নেই। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং লেব্রাডারে এমন একটি শহরের অস্তিত্ব আছে। এখানে রাস্তায় একটি গাড়িও দেখা যায় না। সেজন্য এখানের ফ্রান্সিস সম্প্রদায়কে বিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধরা হয়।

কানাডার পূর্বে দিকে অবস্হিত এই শহরে শুধুমাত্র নৌকা করে পৌছানো যাবে। এই শহরটি নিকটতম শহর সেন্ট জন থেকে 160 নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্হিত রয়েছে। এই শহরে মাত্র 75 জন বাস করে। সেই কারণে এখানে সকলে একে অপরকে খুব ভালো করে চেনে। শিশুদের শিক্ষার জন্য শুধুমাত্র একটি স্কুল রয়েছে। যদিও কিন্ডারগার্ডেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত এই স্কুলে মাত্র 10 জন পড়াশুনা করে।


Advertisement

এখানে সাধারণত যে সমস্ত লোকেরা থাকেন তারা বাইকে করে ঘুরতে ভালোবাসেন। শহরে জুড়ে কারোও কাছে গাড়ি নেই। মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য একটি দোকানও রয়েছে, যেখানে খাওয়া-দাওয়ার সাথে অনেক রকমের জিনিস রয়েছে। এই শহরে কোনও বার নেই। সেই কারণে দোকানে বিয়ার পাওয়া যায়। এখানের লোকেদের আয়ের প্রধান উৎস হলো মাছ ধরা। পরিবারের পুরুষরা সকাল থেকেই মাছ ধরতে বেরিয়ে পড়েন এবং মহিলারা বাড়িতেই থাকেন।



সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো যে কেউ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বাড়ি তৈরি করতে পারবেন, জমি ক্রয় করার প্রয়েজন নেই। এখানে জমির মূল্য মাত্র ছয় হাজার ডলার। রেঁস্তোরার ব্যবস্হা না থাকায় এখানের বাসিন্দারা একে অপরের জন্য ডিনার পার্টির আয়োজন করে। শহরের কমিউনিটি সেন্টারেও কখনও ডান্স পার্টি রাখা হয়। শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয়টি হলো মাউন্টেন হাইকিং। ট্র্যাকিং-এর জন্য ভালো রাস্তা আগে থেকে রয়েছে, যার সাহায্যে 680 ফুট উঁচু ফ্রায়ার হিলসের চূড়ায় পৌছানো যায়।

স্থানীয়দের মতে, শহরে এখন তরুণদের আটকানো কঠিন হয়ে গেছে। তারা শহর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। কানাডার মেট্রো শহরে রয়েছে সমস্ত সুযোগ সুবিধা। কানাডার প্রধান শহরগুলোতে কাজের বেশি সুবিধা থাকায় যুবকরা সেখানে চলে যাচ্ছে।


Advertisement

Image Source : Daily Mail


  • Advertisement