সর্দার সরোয়ার বাঁধ সম্পর্কে 11 টি আকর্ষণীয় তথ্য যা প্রত্যেক ভারতীয়কে জানা উচিত!

author image
11:24 am 19 Sep, 2017

Advertisement

তাঁর 67 তম জন্মদিনে দেশের সবচেয়ে বড় তথা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ সরোবর বাঁধের উদ্বোধন করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই গোটা প্রকল্পটি শেষ হতে সময় লেগেছে 56 বছর। 1961 সালে 5 এপ্রিল এই সর্দার বাঁধের শিলান্যাস করেছিলেন ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।

নর্মদা নদীতে অবস্থিত, সর্দার সরোবর বাঁধটি গুজরাট, মধ্য প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র রাজ্যগুলির লক্ষ লক্ষ লোককে উপকৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই মর্যাদাপূর্ণ প্রজেক্ট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় রয়েছে যা সকলের জানা প্রয়োজন –

1. আকার এবং ভলিউম আকারে সর্দার সরোবর বাঁধ হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ।

আমেরিকার গ্র্যান্ড কউলী বাঁধের পড়ে রয়েছে এই বাঁধ।

2. 1961 সালে 5 এপ্রিল এই সর্দার বাঁধের শিলান্যাস করেছিলেন ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।

56 বছর পর দেশের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী এই বাঁধের উদ্বোধন করেন।

3. গুজরাটের লাইফলাইন হিসাবে পরিচিত, এই বাঁধ থেকে 9 হাজার গ্রামে জল সরবরাহ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুধু গুজরাটে নয়, প্রতিবেশী রাজ্য মধ্য প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র রয়েছে।

4. এই বাঁধ থেকে উত্পন্ন বিদ্যুৎ তিনটি রাজ্যেরঅনেক বাড়িতে আলো পৌছে দেবে।

বিদ্যুৎ-র সবথেকে বেশি অংশ 57% পাবে মধ্যপ্রদেশ। মহারাষ্ট্রে 27% এবং গুজরাট 16% বিদ্যুত্ পাবে।

5. বাঁধের দুটি পাওয়ারহাউজ আছে 4,141 কোটি ইউনিট বিদ্যুত উত্পাদন করার ক্ষমতা।


Advertisement

ক্যানেলের প্রধান পাওয়ারহাউজ এবং নদীর বেড পাওয়ারহাউজটির যথাক্রমে 250 মেগাওয়াট ও 1,200 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে।

6. জল সরবরাহ ও সেচের ক্ষেত্রে রাজস্থানও এই বাঁধ থেকে উপকৃত হবে।

এর মানে এই নয় যে এই বড় বাঁধ প্রকল্প থেকে শুধুমাত্র একটি রাজ্য নয় চারটি রাজ্য উপকৃত হবে।

7. রবিবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধানমন্ত্রী বাঁধের 30 গেট খোলেন।

বিশালাকার এই গেটের ওজন 450 টন এবং একটির থেকে আরেকটির দূরত্ব এক ঘন্টা।

8. বাঁধটি 1.2 কিলোমিটার দীর্ঘ এবং 163 মিটার গভীর গুজরাটের 18 লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচ করা সম্ভব হবে।

9. বাঁধ নির্মাণের শুরু থেকেই অনেক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

সামাজিক কর্মী মাধা পাটকের নেতৃত্বে নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন সরকারকে সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যায়। তাদের দাবি ছিল সরকার কর্তৃক নির্মাণাধীন পরিবেশকে ক্ষতি করবে।

10. মাধা পাটকের পিটিশনের ফলে 1996 সালে সুপ্রিম কোর্ট বাঁধ নির্মাণ স্থগিত করেছিল।

2000 সালে পুনর্নির্মাণ করা হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরে।

11. বাঁধ নির্মাণের আশেপাশের গ্রামগুলি এবং উর্বর সমভূমিগুলির উপর জবরদখল করা হয়।

এই নির্মাণ শত শত গ্রামবাসীদের তাদের বাসস্হান এবং চাষের জমি থেকে দূরে যেতে হয়েছিল।

 

Advertisement


  • Advertisement