গোগাজির মন্দিরে হিন্দু ও মুসলমান উভয় ধর্মের মানুষ পূজা করেন

author image
5:26 pm 25 Aug, 2017

Advertisement

রাজস্থানের লোক দেবতা গোগাজির প্রতি হিন্দু ও মুসলমানদের উভয় ধর্মের মানুষের ভক্তি রয়েছে।

ভগবান গোগাজির জন্ম 900 খ্রিস্টাব্দে চুরু জেলার দন্দ্রে গ্রামের রানী বাচ্চাল ও রাজা জাওয়ারের বাড়িতে হয়েছিল। কিংবদন্তি অনুযায়ী, রানী বাচ্চাল গর্ভধারণ করতে পারছিলেন না। সমস্ত প্রচেষ্টা করেও তিনি মা হতে পারছিলেন না। তখন তিনি যোগী গোরখনাথের আশীর্বাদ পান। যোগী প্রসাদ হিসাবে অভিমন্ত্রিত গুগ্গল ফল দেন,যার ফলে রানী বাচ্চাল পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। এই পুত্রের নাম রাখা হলো গোগা। পরবর্তীকালে তিনি জহির গোগাজির নামে বিখ্যাত হন।

গোগাজির মন্দির রাজস্থানের হনুমানগড় জেলার গোগামেড়ী শহরে রয়েছে। সকল ধর্মের মানুষ এখানে দর্শন করতে আসেন। 950 বছর আগে তৈরি হওয়া এই মন্দিরটি হিন্দু ও মুসলিম স্থাপত্য শৈলীর মিশ্রণ। মুসলিম সম্প্রদায় তাঁকে জহির পীর নামে ডাকেন এবং সকলে এখানে দর্শন করতে আসেন। এই স্হানটি হিন্দু ও মুসলিম ঐক্যের প্রতীক।

সকলে বিশ্বাস করেন যে কাউকে যদি সাপে কামড়ায় তাকে যদি সেখানে নিয়ে আসা হয় তাহলে সে সাপের বিষ থেকে মুক্তি পাবে।



temple

এই মন্দিরে একটি হিন্দু ও মুসলিম পূজারী রয়েছেন। মন্দিরে ঘোড়ার ওপর বসে থাকা গোগাজির মূর্তি স্হাপিত রয়েছে। গলায় রয়েছে একটি সাপ। গোগাজিকেও সাপের দেবতা হিসেবে পূজা করা হয়।

প্রত্যেক বছর আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে গোগামেড়ি বার্ষিক মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলাটি গোগা নবমীর নবম দিন থেকে শুরু হয়। এ উপলক্ষে ভগবান গোগাজির ভক্তগণ নিজেদের বাড়িতে ইষ্টদেবতার কাদরি তৈরি করে অখন্ড জ্যোতি জ্বালান। বিশ্বাস করা হয় যে গোগাজি সমস্ত ভক্তদের ইচ্ছা পূরণ করেন।


Advertisement

 


  • Advertisement