Advertisement

38 বছর পর্যন্ত একই স্থানে গাছ রোপণ করতে থাকে এই ব্যক্তি, তারপর হলো এই অলৌকিক ঘটনা

author image
4:12 pm 18 Aug, 2017

Advertisement

গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে সমগ্র বিশ্ব চিন্তিত। কয়েকজন যখন এই সমস্যা সমাধানের জন্য পরিকল্পনা করছে। তেমনি অনেকে এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করেছে। এর নিখুঁত উদাহরণ হলো ভারতের যাদব পায়াঙ্গ। আসামের যাদব বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ উপস্থাপন করেছে। তিনি একটি পুরো জঙ্গল গড়ে তুল্লেন।

আসামের মাজুলি দ্বীপ হলো বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ। 1979 সালে বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেন। এই দ্বীপটি 20 বছরের মধ্যে জলে ডুবে যাবে। সেই সময় যাদবের বয়স ছিল মাত্র 16 বছর। তিনি এই ঘোষণাকে ভুল প্রমাণিত করার সিদ্ধান্ত নেন। তখন থেকে 38 বছর পর্যন্ত তিনি প্রতিদিন এখানে গাছ লাগাতে শুরু করেন। তাঁর মতে গাছ রোপণ করার ফলে মাটি জলের দ্বারা ধুয়ে যাবে না এবং দ্বীপ সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি জঙ্গল তৈরি হলে পশুরাও নিজেদের বাড়িতে ফিরে আসবে।


Advertisement

প্রতিদিন গাছ লাগানোর ফল 40 বছর পর দেখা গেলো, যখন মজুলি জঙ্গলে ভরে গেলো। কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না যে একজন ব্যক্তি কিভাবে একটি দ্বীপকে জলে ডুবে যাওয়ার থেকে রক্ষা করতে পারলো। তিনি মজুলির নিকট 1400 একর জমিতে জঙ্গল তৈরি করেছেন। যেখানে এখন বহু পশু রয়েছে।

2013 সালে, যাদবের জীবনের ওপর একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে তার নাম ছিল ফরেস্ট ম্যান। এই চলচ্চিত্রে তাঁর পুরো জীবন এবং কাজে আসা বাঁধাকে খুব ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। 2014 সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে এই ডকুমেন্টারীকে Best Emerging Documentary পুুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল। এখন যাদব সারা বিশ্বে ফরেস্ট ম্যান নামে পরিচিত।

ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপর অবস্হিত এই দ্বীপে দেড় লক্ষ লোক বাস করেন। জায়গাটি সুন্দর হলেও কিন্তু বন্যার কারণে প্রতিবছর এখানকার লোকদের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। সময়ের সাথে সাথে এই দ্বীপের পরিধি ছোট হচ্ছে। কিন্তু যাদবের প্রচেষ্টায় আজ এখানে বন্য প্রাণী থাকতে পারছে।

Advertisement


  • Advertisement