Advertisement

বর্তমানে সকলে ব্লুটুথ ব্যবহার করে কিন্তু এই নামটি কোথা থেকে আসলো জানেন ?

author image
5:15 pm 2 Aug, 2017

Advertisement

Bluetooth-এর উদ্ভাবন বহু জিনিস সহজ করে দিয়েছে। আজকাল এর ব্যবহার সমস্ত ডিভাইসে করা হয়। এর আগে এখনকার মতো সোশ্যাল মেসেজিং অ্যাপ ছিল না। তখন Bluetooth-র সাহায্যে বন্ধুদের সাথে গান, ভিডিও, ফটো শেয়ার করা সবথেকে সহজ মাধ্যম ছিল। ব্লুটুথ ব্যবহারের প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় কয়েকদিনের মধ্যে এই কৌশল অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে যায়।

ব্লুটুথের সম্পর্কে সকলেই অবাগত। কিন্তু আপনি কি জানেন ব্লুটুথের এই নীল রঙের চিহ্ন কোথা খেকে আসলো এবং এর নাম কেন ‘ব্লুটুথ’ রাখা হয়েছে জানেন ?


Advertisement

ব্লুটুথের আবিষ্কার হয়েছিল 1994 সালে। এটা তৈরি করার ক্রেডিট সুইডিশ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ‘এরিকসন’। এই কোম্পানির কর্মচারীরা পরস্পরের সহযোগিতায় ব্লুটুথের প্রযুক্তির আবিষ্কার করেন। ব্লুটুথ নাম এবং নীল প্রতীক পিছনে একটা মজার গল্প আছে।

দশম শতাব্দীতে ডেনমার্কের রাজা ছিলেন হারাল্ড ব্লাটান্ড ব্লাটান্ড ব্লুবেরি খেতে ভালোবাসতেন। বেশি ব্লুবেরি খাওয়ার ফলে রাজার দাঁত নীল রঙ হয়ে যায়। সেই রাজার কথা স্মরণ করেই ডিভাইসটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে। এছাড়াও রাজার নাম স্ক্যান্ডিনইভিআন রুনেসে হাগাল বজারকান লেখা হয়। এই নামের প্রথম দুটি অক্ষর H এবং B মিলিয়ে ব্লুটুথ চিহ্ন তৈরি করা হয়েছে।

আজ ব্লুটুথ ডিজিটাল যুগের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বছর 2000 পর্যন্ত মাত্র 5% ডিভাইসে ছিল ব্লুটুথ। কিন্তু বর্তমানে প্রায় 95% ডিভাইসে রয়েছে ব্লুটুথ। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এর নামকরণ কি করে হলো ? ব্লুটুথ প্রযুক্তির ব্যবহার করে হেডফোন থেকে মাউস, কীবোর্ড, প্রিন্টারকে কম্পিউটার এবং ফোন এর মতো ডিভাইসগুলির সাথে সংযুক্ত করা যাবে। এই অনন্য প্রযুক্তি ডিজিটালে বিপ্লব আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Advertisement


  • Advertisement