Advertisement

সিপিএম রাজ্য কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে

author image
1:22 pm 14 Sep, 2017

Advertisement

সিপিএম রাজ্য কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক টিভি অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বিস্ফোরক ঋতব্রত ব্যানার্জী বলেন, মহম্মদ সেলিম সংখ্যালঘু কোটায় পলিটব্যুরোয় জায়গা পেয়েছেন এবং তিনি সাংসদ হওয়াতেই সেলিম-সহ দলের মুষ্টিমেয় স্বার্থান্বেষী নেতা প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে অকারণে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। সিপিএম সূত্রে খবর, এমন বিতর্কিত মন্তব্য করার পর বহিষ্কার করা হলো ঋতব্রতকে।

ঋতব্রতের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং সাংসদ পদের অপব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তাঁর অসংযমী জীবনযাপনও পার্টি লাইনের পরিপন্হী ছিল বলে অভিযোগ। তাঁর কমিউনিস্ট সুলভ আচরণ দলকে ঋতব্রতের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করতে এবং শাস্তিমুলক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রয়েছে মহিলাকর্মীদের অভিযোগ।


Advertisement

বিচারের আগেই তাঁর ফাঁসি হয়ে গিয়েছে। শাস্তি দিয়েছে ‘ক্যাঙারু কোর্ট’। যে কোর্টের বিচারক মহম্মদ সেলিম সিপিএম-এর বিতর্কিত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এমনভাবেই পার্টি গঠিত তিন সদস্যের কমিশনকে কটাক্ষ করেন।

ঋতব্রতকে নিয়ে এখনও চলছে আলিমুদ্দিন স্ট্রীটের বৈঠক। এই বিষয়ে শীঘ্রই সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হবে। তবে রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রতকে বহিষ্কার করতে কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন লাগবে। সাংসদ ঋতব্রত বলেন, ‘পলিটব্যুরোতে মুসলমানদের জন্য একটি কোটা আছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ‘বাঙালী-বিরোধী’ বলে অভিযুক্ত করেছেন।’

এবার ঋতব্রত কোন পথে পা বাড়াবে তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক টুইট ও মন্তব্যের জেরে বিজিপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা চলছে।

Advertisement


  • Advertisement