Advertisement

পুরানো বাড়িটির দেওয়ালের পেছনে লুকিয়ে ছিল একটি শহর

author image
1:16 pm 30 Aug, 2017

Advertisement

পুরানো বাড়িগুলি শুধুমাত্র দেখতে সুন্দর হয় তাই নয় এদের মধ্যে একটি ভিন্ন ইতিহাসও রয়েছে। অনেক সময় এমন বাড়ি থেকে ইতিহাসের এমন একটি পৃষ্ঠা বেরিয়ে আসে যেটার সম্পর্কে মানুষ অজানা। এমনই কিছু ঘটেছে তুরস্কের আনাতোলিয়া প্রদেশের কাইসেরীতে বসবাসকারী একজন ব্যক্তির সাথে। যিনি কয়েক বছর পুরানো একটি বাড়ি কিনে সেটা মেরামত করার কথা চিন্তা করছিলেন। কিন্তু সেই সময় বেসমেন্টের দেওয়াল পড়ে গিয়ে যেটা সামনে আসে সেটা অবাক করার মতো।

50 বছরের মুস্তাফা বোজেমমির নামের এই ব্যক্তি বাড়ি কিনেছিলেন। বাড়িটি বেশ পুরানো ছিল এবং অনেক জায়গায় মেরামতেরও প্রয়োজন ছিল। বাড়ি কেনার পাঁচ বছর পর তিনি সেটাকে নির্মাণ করার কথা ভাবেন। কিন্তু বাড়ির বেসমেন্টের মেরামতের সময় একটি দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়। প্রথমে মুস্তাফার মনে হয়েছিল এটা কোনও স্টোর রুম। কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করার পর তিনি অবাক হয়ে যান। স্টোর রুমের মধ্যে ছিল একটি শহর।


Advertisement

এই শহরটি বেশ বড় এবং মাটির নীচে রয়েছে তলদেশ। মুস্তাফা শীঘ্রই তথ্যটি দেন কায়সারির গভর্নর কার্যালয়ে এবং সংস্কৃতি ও পর্যটন অধিদপ্তরকে। গবেষণার পর জানা যায় মুস্তাফার বাড়ির বেসমেন্টের নিচে রয়েছে কয়েক বছর পুরানো ড্রেংকু শহরের ধ্বংসাবশেষ।

ড্রেংকু শহর মাটি থেকে 60 মিটার নিচে রয়েছে। 18 টি তলা ছিল। একসময় সেখানে ছিল গীর্জা, স্কুল এবং দোকান। শহরে প্রায় 20 হাজার মানুষ বসবাস করতো। প্রত্যেক যুগে এই ধরনের অভ্যন্তরীণ শহর নির্মাণ করার কারণ ছিল যুদ্ধ এব প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জনগণকে রক্ষা করা।

তুর্কির বহু অঞ্চলে এই ধরনের অভ্যন্তরীণ শহর রয়েছে। 1963 সালের ড্রেংকু শহরের অনুসন্ধান পাওয়ার পর প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ খননকার্যের মাধ্যমে এই ধরনের অনেক শহরের অনুসন্ধান করেন। শহরের অনুসন্ধান চলাকালীন মানুষের অবশেষ পাওয়া গিয়েছিল। তিন বছর পর পর্যটকদের জন্য স্হানটি খুলে দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement


  • Advertisement