বামেদের ডাকা 12 ঘন্টার বনধে, স্বাভাবিক জনজীবন

12:50 pm 28 Nov, 2016


নোট বাতিলের বিরোধিতা করে বাম দলগুলির ডাকা 12 ঘন্টার বনধে তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি কলকাতায়। স্বাভাবিক কর্মজীবন। অন্যান্য দিনের মতো হাওড়া-শিয়ালদহ লোক চলাচল করছে। দোকানপাট খোলা রয়েছে। মেট্রো চলাচল যথারীতি হচ্ছে। বিমানবন্দরেও পরিবহণ সচল। অসুবিধায় পড়েনি যাত্রীরা। সড়ক ও জলপথে পর্যাপ্ত সংখ্যায় সরকারি যান চলাচলের কথা ঘোষণা করেছিলেন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তবে বনধকে সমর্থন করেনি কংগ্রেস,তৃণমূল-কংগ্রেস। আজকের দিনটা কংগ্রেস আক্রোশ দিন হিসাবে পালনের ডাক দিয়েছে। আজই পথে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করবে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বনধকে তিনি সমর্থন করেন না। বনধের ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রান হতে হয়ে। তাই মিছিল করে প্রতিবাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা।

বামেরা ধর্মধটের আওতা থেকে ডাকঘর,ব্যাঙ্ক,এটিএম,বিদ্যুত্ সরবরাহ,দুধ সরবরাহের মতো জরুরী পরিষেবা ছাড়ায় বাদ দিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে। আজ বনধ সফলে মরিয়া বামেরা মৌলালিতে সভা করা ছাড়াও শহরের বিভিন্ন জায়গায় মিছিল করবে বাম সমর্থকরা। উল্লেখ্য, নোট বাতিলের জেরে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রতিবাদে আজ বনধ পালন করছে 18 টি বাম সংগঠন।

ধর্মঘট মোকাবিলায় কড়া ব্যবস্হা নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাস্তায় নামানো হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় মোবাইল পেট্রোলিং চালানো হচ্ছে। জনবহুল এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। শুধু শহরেই নয় এদিন জেলার ছবিও ছিল স্বাভাবিক। বামেদের ডাকা ধর্মাঘটের প্রভাব পড়েনি শিল্পাঞ্চলেও। শ্রমিকদের হাজিরাও স্বভাবিক।

সকালে লেকটাউনের যশোর রোড অবরোধ করে বামেরা। এই নিয়ে নিরাপত্তা কর্মীদের সাথে ধস্তাধস্তি হয়।

আজকের এই বিরোধিতায় সামিল হয়নি হরিয়ানার আইএনএলডি, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতিহাস এবং কর্ণাটক কংগ্রেসও।

দেশের অন্যন্য অংশেও বনধ,মিছিল-মিটিং উপেক্ষা করে মানুষ স্বাভাবিক জনজীবন বজায় রেখেছে সাধারণ মানুষ। নাগপুরে বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে ফুুল,মিষ্টি দিচ্ছে কারণ তারা বনধকে সমর্থন করছে না।

Discussions