জম্মুর মাদ্রাসায় 11 বছর বয়সের ছেলের পায়ে পড়িয়ে রাখা হয়েছে শিকল

author image
5:09 pm 22 Oct, 2016


নিজের 11 বছর বয়সের ছেলের পায়ে শিকল পড়িয়ে রাখার জন্য সোমবার পুলিশ অভিযুক্ত করলো মায়ানমারের শরণার্থী দম্পতিকে। জম্মু শহরের উপকণ্ঠে অবস্হিত ভাতিনদির মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যাওয়াকে প্রতিরোধ করার জন্য তার পায়ে শিকল পড়িয়ে দেওযা হয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে ছেলেটির বাবা-মা এবং মাদ্রাসার মৌলভী আবদুল গফুরের অনুযায়ী ছেলেটি বহু আগেই মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। শনিবার দিন তার মা তাকে ফিরিয়ে আনে এবং পায়ে শিকল পড়িয়ে দেয়।

এক স্থানীয় বাসিন্দা সেই ছেলেটির ফটো তুলে হোয়াটসঅ্যাপে প্রচার করে দেয়। এরপরই স্থানীয় পুলিশ তারা শিকল খুলে তাকে তার বাবা-মার কাছে তাকে হস্তান্তর করে দেয়।

তদন্ত করে নারওয়াল-জম্মু সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার চন্দন কোহলি জানান ছেলেটির বাবাকে সতর্ক করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সেই ছেলেটির মা-বাবা বলেছে প্রায় চার বছর আগে তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসে। তিন বছর আগে জম্মু পৌঁছান এবং নারওয়ালে বসতি স্থাপন করেন। তারা স্বীকার করা যে, এটি একটি “অমানবিক” বিষয়। গফুর বলেন, “ছেলেটি এর আগেও দুইবার মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। তাই যখন তাঁর মা তাঁকে আবার শনিবার এখানে নিয়ে আসে উলেমা (শিক্ষক) তাকে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত ছিলেন না। তার মা এর হাতে তখন একটা চেইন ছিল। ছেলের পায়ে শিকল পড়িয়ে তার চাবি আমাদের দিয়ে দেন।”

মাদ্রাসাটি ভাতিনদির একটি বস্তিতে চালানো হয়। গফুরের মতে, তারা মায়ানমারের শরণার্থীদের 160 ছেলেমেয়েদের থাকা খাওয়ার সুবিধা প্রদান করেন। এর জন্য স্থানীয় মুসলমান ও মসজিদ থেকে টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

ছেলেটির মা স্বীকার করেছে যে সে তার ছেলের পায়ে শিকল পড়িয়েছিল। তার স্বামী বলেন, তারা আগেই তাকে কাশিম নগর এলাকায় একটি রাজ্য সরকার স্কুলে ভর্তি করেছিল। কিন্তু সে ক্লাসে যোগদান করেনি। ছয় মাস আগে তাকে মাদ্রাসায় দেওয়া হয় এবং সেখানে থাকতে তাকে বাধ্য করা হয়।

Popular on the Web

Discussions



  • Co-Partner
    Viral Stories

TY News