বনবিভাগের কর্মীদের সামনে পিটিয়ে-পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো এক চিতাবাঘকে

author image
1:49 pm 26 Nov, 2016


গুরগাঁও-এর একটি গ্রামে পিটিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো এক চিতাবাঘকে। বৃহস্পতিবার সকালে সোহনায় অবস্হিত মান্দাওয়ার গ্রামে ঢুকে পড়ে একটি চিতাবাঘ। প্রশ্ন উঠছে কেন বন বিভাগ এই পশুটিকে জীবিত ধরতে অসমর্থ হলো?

গ্রামবাসীরা চিতাবাঘটিকে ধরে বন বিভাগকে দেওয়ার বদলে তাকে পিটিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।

অভিযোগ করা হয়েছে যে সময় থাকা সত্বেও বন বিভাগ কোনও রকম সর্তকতা অবলম্বন করেননি। যদি তারা সতর্কতা অবলম্বন করতো তাহলে চিতাবাঘচি জীবিত খাকতো। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন বন বিভাগের কর্মীরা যদি সঠিক সময়ে ট্রাঙ্কুলাইজার বন্দুক নিয়ে পৌছে যেতো তাহলে চিতাবাঘটির মৃত্যু হতো না। তারা বলেছেন তারা বাঘটিকে মারেননি বন বিভাগের কর্মীদের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

গুরগাঁও কাছাকাছি কয়েক হাজার এলাকা জুড়ে রয়েছে জঙ্গল। বহুবার বন্যপ্রাণী জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে আবাসিক এলাকায় ঢুকে পড়ে। রিপোর্ট অনুযায়ী বন বিভাগের কাছে এই ধরনের সমস্যাগুলি মোকাবিলা করার মতো পর্যাপ্ত কোনও ব্যবস্হা নেই।


যে চিতাবাঘটির মৃত্যু হয়েছে সে এই এলাকার একমাত্র পুরুষ চিতাবাঘ ছিল। এর উপস্হিতির কারণের মান্দাওয়ার আরাওলী জঙ্গলের দুজন স্ত্রী চিতাবাঘকে গর্ভবস্হায় পাওয়া গেছে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এলাকায় পশুদের জব্দ করার জন্য বন বিভাগের কাছে রয়েছে মাত্র একটা ট্রাঙ্কুলাইজার বন্দুক। সুলতানপুর থেকে এই বন্দুক নিয়ে আসার নির্দেশ দেওযা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের মধ্যে সেটা এসে পৌছোতে পারেনি। এরই মধ্যে চিতাবাঘ গ্রামের লোকেদের ওপর হামলা করে, দেড় হাজারেরও বেশি লোকেদের আহত করে দেয়। আহতদের সোহনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারপর গ্রামবাসীরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে তাকে মেরে ফেলে।

ঘটনাস্হলে পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মীরা পৌছেলেও তারা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। দাঁড়িয়ে পুরো ব্যাপারটি চাক্ষুস করছিলেন।

বলা বাহুল্য বন বিভাগের কাছে যানবাহনের সেইরকম কোনও ব্যাবস্হা নেই। আর বন বিভাগের কর্মীদের এই ধরনের পরিস্হিতি মোকাবিলা করার জন্য সঠিক প্রশিক্ষণও নেই।

Discussions



TY News