রাহাত ফতেহ আলী থেকে শুরু করে ফাওয়াদ খান, সকলে চাইলো কালোধন

2:38 pm 16 Nov, 2016


পাকিস্তানি অভিনেতারা ভারতে এসে অর্থ উপার্জন করে আর সেই টাকা বিদেশী ব্যাঙ্কগুলোতে জমা দেয়। ভারত থেকে টাকা উপার্জন করে কোনও ট্যাক্স না দিয়ে তারা সেই কালোটাকা নিয়ে চলে যায়। চাঞ্চল্যকর করা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে নিউজ 18 চ্যানেলের এর দ্বারা করা স্টিং অপারেশন।

পাকিস্তানি শিল্পীদের আসল চেহারাটা সকলের সামনে খুলে দেওয়ার জন্য নিজউ 18 চ্যানেল পনেরো দিন আগে মুম্বাই ও দিল্লি একটি স্টিং অপারেশন করে। অপারেশনে স্পষ্ট হয়েছে যে তারা টাকার সিংহভাগ কালোটাকা রুপে নেয়। আর অবৈধভাবে সেই টাকা বিদেশের ব্যাঙ্কে জমা করে।

নিজউ 18 চ্যানেলের দ্বারা করা ‘অপারেশন নামক হারাম’ যে সমস্ত পাকিস্তানী শিল্পীদের নাম উঠে এসেছে তারা হলো ফাওয়াদ খান,রাহাত ফতেহ আলী, শাফকাত আমানত আলী, ইমরান আব্বাস, মাবরা হোকেন।

চ্যানেল দাবি করেছে যে এই পাকিস্তানী শিল্পীদের এজেন্ট এবং ম্যানেজার কালোটাকা চাওয়ার বিষয়টি গোপন ক্যামেরায় বন্দি হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে তাদের টাকা অস্ট্রেলিয়া বা দুবাই ব্যাঙ্কে জমা দেওযারও কথা বলেছে।

এই পাকিস্তানি অভিনেতা, মডেল এবং গায়ক বিদেশে মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত ওয়ার্ক পারমিট ভারতে আসে। ভারতে কাজ করার জন্য তাদের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দেওয়া হয়। তাই জন্য মানিলন্ডারিং ভারতীয় আইনকে লঙ্ঘন করে।

tribune

tribune

পাকিস্তানের বিখ্যাত অভিনেতা ফাওয়াদ খানের ম্যানেজার তোরাল সনি মুম্বইতে থাকে। আর ফাওয়াদের সমস্ত ডিল সেই করে। স্টিং অপারেশনের সময় তোরালকে বলা হয় দিল্লিতে একটি বিয়ে আছে আর সেখানে আমরা ফাওয়ান খানকে ডাকতে চাই। সোনি এর ফি বলে 50 লক্ষ টাকা। আর তার দলের জন্য আলাদা করে 50 লক্ষ টাকা। মোট বাজেট 1 কোটি টাকা। ফাওয়াদের 25 শতাংশ টাকা কালোটাকা রুপে দুবাই এর ব্যাঙ্কে জমা দিতে হবে। যার ফলে 16 শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে না।

একটি বিয়েতে মাবরা হোকেনকে আসার প্রস্তাব দেওয়ার জন্য তার ম্যানেজার হাসান চৌধুরীকে যখন ফোন করা হলো তখন মাবরার ফি বলা হলো 50 লক্ষ টাকা। যার মধ্যে 10 লক্ষ টাকা জমা দিতে হবে ভারতীয় ব্যাঙ্কে। আর বাকি 40 লক্ষ টাকা জমা দিতে হবে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাঙ্কে।

Discussions