২১ টি এমন কথা যা যেকোনো বাঙ্গালীকে খুব রাগিয়ে তুলবে

3:36 pm 21 Apr, 2016

যদিও বাঙ্গালীরা খুবই শান্ত প্রকৃতির মানুষ।কিন্তু এমন কিছু জিনিস আছে যা তাদের খুবই রাগান্বিত করে তোলে। এমনকি ছোটখাটো যুদ্ধও লেগেযেতে পারে।

আপনি যদি কোনো বাঙ্গালী ছেলে বা মেয়েকে মুগ্ধ করতে চান বা তাদের দিয়ে কিছু কাজ করাতে চান, তবে আপনার বেশ কিছু সস্তা কথা এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

১. কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গ শুধুই হাওড়া ব্রীজ আর ট্রাম-এ সীমাবদ্ধ নয়।

তুমি যদি কোনো বাঙ্গালীর সাথে কথা শুরু করতে চাও তবে আগে থেকেই জেনে রাখা ভালো যে শুধু হাওড়া ব্রীজ আর ট্রাম ই বাংলার একমাত্র জিনিস নয়।

২. আহা শুধু মাছের ঝোল ই আমরা সবসময় চাইনা।

জানিনা কেন শুধু মাছের ঝোল কেই বাঙ্গালীদের সাথে জোড়া হয়। মাছের ঝোল অন্যতম খাবার হলেও আরও অসংখ্য মাছের রন্ধন প্রণালী আছে যা বাঙ্গালীদের খুব প্রিয়।

৩. ‘তা তুমি বং’?

হা আর তুমি সঙ।

‘জোকার’-কে বাংলায় সঙ বলে।

৪. বাংলার দাদা সৌরভ গাঙ্গুলী সম্পর্কে ভুলেও কিছু বোলোনা।

আজ্ঞে হ্যাঁ, তিনি হাজার ভুল করলেও, তিনি আমাদের প্রিয় দাদা। তোমার যদি নিজের প্রতি এতটুকুও ভালবাসা আর আত্মসম্মান থাকে তো কোনো বাঙ্গালীর সামনে দাদাবিরোধী কথা বোলোনা।

৫. কেন যে মানুষ মিষ্টি দই নিয়ে মা-মা করে কে জানে!

তুমি হাজার চেষ্টা করলেও মিষ্টি দই-এর মত হালকা অথচ সুস্বাদু মিষ্টান্ন খুঁজে পাবেনা।

৬. ‘কি করে তুমি কলকাতায় থাকতে পার? ওখানে তো একদিন অন্তর একদিন ধর্মঘট লেগেই থাকে।’

এই যে, আমরা কি কিছু তথ্য সুধরে দিতে পারি? এখানে মাঝে-মাঝে বা ৩-৪ দিন অন্তর ধর্মঘট হয়, রোজ মোটেও না। ধন্যবাদ।

৭. ‘ দুপুরে কলকাতার আশেপাশের দোকান সব বন্ধ থাকে কেন?’

কারণ আমরা দুপুরে ভাতঘুম দিতে খুবই ভালোবাসি। আর এটা স্বীকার করতে আমরা এতটুকুও লজ্জাবোধ করিনা।

৮. রবীন্দ্রনাথের একটা বা দুটো কবিতা মুখস্থ না করে কখনই একটা বাঙ্গালীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করনা।

রবীন্দ্রনাথ শুধুই নোবেল বিজয়ী কবি নয় আমাদের কাছে তিনি ভগবান।

৯. ‘তুমি যদি বাঙ্গালী হও তবে তুমি কৃষ্ণকলি নও কেন, কেন নেই তোমার কালো হরিণ চোখ?’

কারণ তুমি আল পাচিনো বা টম ক্রূঁস নও তাই। তোমরা কি বাঁধাধরা নিয়ম থেকে
বেরোতে পারনা?

১০. ‘বাঙ্গালী হয়েও কীকরে এত ভালো হিন্দি বলতে পার?’

স্থানীয় বাচনভঙ্গি যেন সারা দেশের শুধু এই এলাকাতেই আরোপিত হয়।


১১. ‘তা তোমার এই পাহাড় প্রমান বুদ্ধির রহস্যটা কী?’

তা তোমার নির্বুদ্ধিতাই এর কারণ।

১২. ফুটবল খেলা নিয়ে কিছু বলার আগে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব আর মোহনবাগান ক্লাব এর মধ্যে পার্থক্যটা জেনে রাখা ভালো।

নইলে বড় বিপদে পরতে পার।

১৩. ‘সবসময় এত ল্যাদখোর কেন তুমি?’

জীবনটা রাজার মত কাটানোয় বিশ্বাসী আমরা।তাই বেশি ভেবনা, তুমি বুঝতে পারবেনা।

১৪. ‘..কিন্তু পুরি তো বাংলার অংশ নয়।’

আমরা পশ্চিমবঙ্গের ভূগোল ভালই জানি বাছাধন। কিন্তু তুমি বাঙ্গালী নও তাই জাননা এক ডজনবার পুরি ভ্রমণ আর দিনে ৪ ঘন্টা বঙ্গোপসাগরে স্নানের মাহাত্য।

১৫. ‘সবসময় শাড়ি বা কুর্তার সাথে বড় টিপ সাঙ্গ করতেই হবে?’

খুবই সাধারণ ব্যাপার, এটাই তো তোমাদের মত পাগল কে দশ হাত দূরে রাখে।

১৬. ‘.. অবসর সময়ে কীকরে বই পরে কাটাতে পর?’

যেভাবে তুমি অন্যের মাথা খেয়ে অবসর সময় কাটাও।

১৭. ‘বাংলার রাজনৈতিক রং পরিবর্তন নিয়ে কী আমরা আলোচনা করতে পারিনা?’

না, একদমই না। এটি অনৈতিক আলোচনা।

১৮. ‘সত্যজিত রায় বলতে তোমরা পাগল কেন?’

কারন তেত্রিস কোটি দেব-দেবীর একটি হলেন সত্যজিত রায়।

১৯. ‘কীকরে তোমার বাবা মা এতদিনের শুধুই মেয়েদের ভ্রমণে ছেড়েদেন?’

তুমি বড্ডই সেকেলে।

২০. ‘তোমরা যেভাবে ইশ বল আমার খুব ভালো লাগে।’

আর তোমার একটা বলিউড সিনেমার বাজে লাইন বলাটা আমার খুবই অপছন্দ।

২১.’কীকরে এতগুলো রবীন্দ্র সঙ্গীত মনে রাখতে পর তুমি?’

যেভাবে তুমি বলিউড এর সস্তা বাজে গানও মনে রাখতে পার। একটু অন্য রকম চর্চা আর কি।

Discussions



TY News