এই বাজারে নোট দিয়ে নয় আধার কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করা যায়

পরস্পরের সহযোগিতার দ্বারা সকল কঠিন সমস্যা মোকাবিলা করা যায়। 500 ও 1000 টাকার নোট বন্ধ হওয়ার পর মানুষকে বহু সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। একদিকে যেমন মানুষকে ব্যাঙ্ক ও এটিএমে লম্বা লাইন দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে খুচরো পয়সার অভাবে দৈনন্দিন জিনিসপত্র কিনতে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে।

দেশের সমস্ত জায়গার বাজারের চিত্র একইরকম হলেও হায়দ্রাবাদের কুকটপল্লী রায়তু বাজারের চিত্র অন্যরকম।

নোটব্যানের ফলে বাজারকে যে সমস্যা পড়তে হচ্ছিল তার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বাজারে একটা কার্যকর উপায় বার করা হয়েছে। এরপর বাজারে 15 হাজার টাকার মতো বিক্রি হয়। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য বাজার যে কার্যকর উপায় বার করা হয়েছে তা একটা নজির সৃষ্টি করেছে।

 

আপানারা এই খবরটি জেনে অবাক হবেন যে এখানে সবজি টাকা দিয়ে নয় আধার কার্ড দিয়ে ক্রয় করা হয়েছে।

শুক্রবার তেলেঙ্গানা স্টেট মার্কেটিং ডিপাটমেন্টের উদ্যোগে ইনডাসট্রিয়াল ডিপাটমেন্ট ফাইনানশিয়াল কর্পোরেশনের একটি কাউন্টার খোলা হয়। যেখানে টাকার বদলে দেওয়া হয়ে টোকেন। যাদের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট তাদের আধার কার্দের নম্বরের সাথে যুক্ত তাদের 5,10,20 টাকার টোকেন দেওয়া হয়। গ্রাহকরা যত টাকার সবজি নিয়েছে সেই পরিমাণ টাকা পরবর্তীকালে তাদের অ্যকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে। আর যেই টোকেনগুলির ব্যবহার হয়নি সেগুলো টাকার রুপে ফেরত্ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ধরনের সুুবিধায় সবথেকে বেশি লাভবান হয়েছেন কৃষক ও বিক্রেতারা।

বিগত কয়েক দিনে নোটব্যানের প্রভার বাজারে পরিস্কার দেখা গেছে। এই ধরনের একটি প্রকিয়া কৃষক ও বিক্রেতাদের যথেষ্ঠ লাভবান করেছে। কারণ এই কদিন তাদের কাছে খুচরো টাকা না থাকার কারণে তাদের সবদি বিক্তি করতে অসফল ছিলেন।

আপনাদের জানিয়ে দেওয়া ভালো যে সমস্ত বিক্রেতারা এই নিয়মটি মেনে নিয়েছিলেন তাদের অ্যকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যাদের ব্যাঙ্ক অয্কাউন্ট নেই তাদের IDFC কাউন্টারে সাহায্যে অ্যকাউন্ট খুলে দেওয়া হয়েছে।

তেলেঙ্গানার সেচ মন্ত্রী টি হরিশ রাও জানিয়েছেন:

“এই নিয়মটি চালু হয়েছিল শুক্রবার, সকাল 9 টা থেকে বিকেল 6 টা পর্যন্ত। যদি এই প্রক্রিয়া সফল হয় তাহলে পরবর্তীকালেও এই প্রক্রিয়া চালু থাকবে। প্রথম ধাপে এই প্রক্রিয়া রায়তু বাজারে চালু করা হয়েছিল, দ্বিতীয় ধাপে শহরের অন্যান্য জায়গাও চালু করা হবে।”

তেলেগু শব্দ রায়তু-র অর্থ হলো কৃষক। তেলেঙ্গানায় রায়তু বাজারা চালু করা হয়েছিল বহুকাল আগে। যেখানে কৃষকরা সরাসরি বিক্রেতাদের তাদের সবজি বিক্রি করতে পারতো। বাজার ডিজিটাল করে দেওয়ার পর নোটব্যানের প্রভাব কম পড়বে।

Facebook Discussions