বিশ্বে এই প্রথমবার স্মার্টফোন দিয়ে তৈরি করে হলো থ্রি ডি প্রিন্টেড মুখ

author image
8:02 pm 4 Nov, 2016


সার্জারির জন্য টাকা না থাকায় ডাক্তার স্মার্টফোন দিয়ে তৈরি করে দিলো থ্রি ডি প্রিন্টেড মুখ। এটি ঘটেছে ব্রাজিলে। বিশ্বে এই প্রথমবার এই রকম থ্রি ডি প্রিন্টেড ফেস ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে 54 বছর বয়সী কার্লিটোর মুখে ক্যান্সার ধরা পড়ে আট বছর আগে। এই কারণে তার মুখের ডানদিকে টিউমার হয়ে গিয়েছিল। যা গলার কাছ থেকে চোখের ওপর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই কারণে তাকে তার চোখ হারাতে হয়।

অস্ত্রোপচারের পর তার মুখে গর্ত হয়ে যাওয়ার কারণে দুই সন্তানের পিতা কার্লিটো হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তার চিকিত্সক রডরিগো সালাজার আশাবাদী ছিলেন।

চিকিত্সক রডরিগো সালাজার স্মার্টফোনের সাহায্যে কার্লিটোর মুখে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া অংশকে থ্রি ডি টেকনিকে তৈরি করেন এবং সেটাকে ট্রান্সপ্লান্ট করেন।

ড রডরিগো সালাজার হলেন একজন ডেন্টিস্ট এবং মৌখিক পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ। সাও পাওলোতে পৌলিস্টা বিশ্ববিদ্যালয়ে (UNIP) দুবছর ধরে এই প্রোজেক্টের নেতৃত্ব রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলের ক্লিনিকগুলি উচ্চ প্রযুক্তির দ্বারা সজ্জিত নয়। তাই জন্য আমরা কম খরচের এমন পদ্ধতি তৈরি করেছি যা রোগীদের মুখের শারীরস্থান এবং শরীরের অন্যান্য অংশের মডেল তৈরি করতে সাহায্য করবে।’

thesun

thesun


দ্য সানের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে রডরিগো ফ্রী অ্যাপ অটোডেস্ক 123ডি ডাউনলোড করেছিল। এই অ্যাপের সাহায্যে কার্লিটোর মুখের 3ডি মডেল বানানো হয়েছে।

মুখের যে অংশটুকু খারাপ ছিল সেই অংশের 15 টি ছবি নেওয়া হয়,এরপর সেগুলিকে ধারাক্রমে তিনটি আলাদা-আলাদা উচ্চচতায় সেট করে দেওয়া হয়। তারপর সেই ফটোগুলোকে আপলোড করে কার্লিটোর ভার্চুয়াল মুখ তৈরি হয়।

ডাক্তার রডরিগো সালাজারের টিমের রোগীর প্রাকৃতিক ত্বক তৈরি করতে সময় লাগে 20 ঘণ্টা। এই ত্বক তৈরি করা হয়েছে সিলিকন দিয়ে। পরে এই চামড়ার রঙ ও রূপ দেওয়া হয়।

Popular on the Web

Discussions